পনের খানা মজার হাঁসির জোকস না পড়লে মিস!!!!!!!!!!!!



জোকস ১:
বল্টু ডাক্তার এর কাছে গেছে...
বল্টুঃ ডাক্তার সাব আপনি হাসপাতালে
বসে
রোগী দেখলে ভিজিট কত নেন?
ডাক্তারঃ ১০০টাকা
বল্টুঃ আর রোগীর বাসায় গিয়ে দেখলে
কত
নেন?
ডাক্তারঃ ১৫০টাকা
বল্টুঃ তাইলে আপনি আমার সাথে আমার
বাসায়
চলেন
বাসায় যাওয়ার পর...
ডাক্তারঃ রোগী কোথায়?
বল্টুঃ রোগী নাই
ডাক্তারঃ রোগী না থাকলে আপনি
আমাকে এনেছেন কেনো?
বল্টুঃ ১৫০টাকা ডাক্তারের হাতে
ধরিয়ে দিয়ে
বললো...
আপনার বাসা থেকে আমার বাসায়
আসতে ভাড়া লাগে ২০০টাকা
তাই আমি ১৫০টাকা দিয়ে আপনার
গাড়িতে করে আসলাম.
বল্টুর
বুদ্ধিটা কেমন?


জোকস 2:
এক মাতাল একদিন অনেক মদ খেয়ে
মাতাল হয়ে বাড়িতে ঢুকল কিন্তু সে
ঘরে না ঢুকে ভুল করে গোয়ালঘরে ঢুকে
পড়ল, তারপর গরুর লেজ ধরে বলল -






কিগো ময়নার মা, প্রতি দিন দুটো
বেণী কর, আজ একটা কেনো??
জোকস ৩:
বুশ লং ড্রাইভে বেরিয়েছেন কিছু দূর
যাওয়ার পর দুর্ঘটনাবশত একটি গাধা
তাঁর গাড়ির নিচে চাপা পড়ে মারা
গেল
বুশ ড্রাইভারকে বললেন, এই নাও ১০০
ডলার, গাধার মালিককে ক্ষতিপূরণ
বাবদ দিয়ে এসো
কিছুক্ষণ পর ড্রাইভার ফিরে এসে
হাসতে হাসতে বলল, এই নেন স্যার ১৫০
ডলার
-বুশ অবাক হয়ে বললেন, ১৫০ ডলার পেলে
কোথায়?
: স্যার, গাধার মালিক খুশি হয়ে
আমাকে ৫০ ডলার দিয়েছে
-কেন? তুমি কী বলেছ?
: কিছুই না, শুধু বলেছি, আমি বুশের
ড্রাইভার, গাধাটা কিছুক্ষণ আগে
মারা গেছে!

জোকস ৪:
বরাবর,
কন্যার বাপ,
বিষয়:আপনার মেয়েকে বিবাহ করার
জন্য
আবেদন
জনাব,
সবিনয় নিবেদন এই যে,আমি আপনার
মেয়েকে বিবাহ করার জন্য একজন
আগ্রহী
বর !
আমি গত তিন বছর ধরে আপনার
মেয়েকে
পছন্দ করে আসতেছি
আপনার মেয়েকে কোন রকম বিরক্ত
না
করেই বুঝাতে চেয়েছি আমি
তাকে
বিবাহ
করতে চাই
ভালবাসা নামক অভিনয়ে আমি
কোন
রকম
ধোঁকাবাজি করতে আগ্রহী নই
কিন্তু
আপনার মেয়ে আমার কথা জানতে
পেরে সরাসরি আপনাকে বিয়ের
প্রস্তাব
দেওয়ার জন্য অনুরোধ
করেছে তাই দরখাস্ত লিখতে বাধ্য
হলাম
এই চৈত্রের খোরা রোদে
তৃর্ষ্ণাতো
কাকের ন্যায় আমি আপনার
মেয়েকে
পানির মত চাই
বিশ্বাস করেন,লবণ ছাড়া যেমন
তরকারির সাদ নেই তেমনি আপনার
মেয়েকে না
পেলে আমার জিবনের মুল্য নেই ,
আপনি
কন্যার বাপ হিসেবে বিষয়টা
ক্ষতিয়ে
দেখবেন বলে আশা করছি তবে এই
বিষয়টাও আপনাকে অবহিত করা
প্রয়োজন যে,আমি আপনার
মেয়েকে
সারাজীবন অনেক সুখেই রাখার
চেষ্টা
করবো, আর বিয়েতে কোন ধরনের
যৌতুক
নেওয়া থেকে বিরত থাকিবো
অতএব,
এমতাবস্থায় আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ
করছি যে,আমার জন্য এই মূল্যবান
উপকারটুকু
করে আমাকে চিরদিনের জন্য
আপনার
জামাই করে স্মরণীয় করে রাখতে
আগ্রহী হবেন
আমার আকুল আবেদন,আপনার
মেয়েকে
আমার সাথে বিবাহ দিতে
আপনার.
মর্জি
হয়!
নিবেদক,
আপনার মেয়ের হবু জামাই . .

জোকস ৫:
স্বামী স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হইতেছে
এক পর্যায়ে দুজন দুজনকে ডিভোর্স
দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলো সব ঠিকঠাক
কিন্তু গোলমাল বাঁধলো অন্য জায়গায়
ডিভোর্সের
পরে তাদের একমাত্র ছেলে কার
কাছে থাকবে??? মামলা শেষ পর্যন্ত
কোর্টে
গড়াইলো



অত:পর কোর্টে------
স্ত্রী:- এই ছেলে আমার আমি ওকে জন্ম
দিয়েছি
স্বামী :-এই ছেলে আমার আমার জন্যই
পৃথিবীর আলো দেখেছে
স্ত্রী:-বাহ বাহ গ্লাস আমার,চিনি
আমার,পানি আমার,আর দুই ফোঁটা লেবুর
রস
দিয়া শরবত
তোমার????
জোকস ৬:
দেখি হাসি আটকাতে পারেন কিনা..!!
****************
বি. পাস করেও এক যুবক
দীর্ঘদিন ধরে চাকরি পাচ্ছে
না
মামা খালুর জোর না থাকলে
কি আর
আজকাল চাকরি হয়?
হঠাৎ একদিন চিড়িয়াখানায়
তার
একটা চাকরি হয়ে গেল
চিড়িয়াখানার
বাঘটা হঠাৎ করে মারা
যাওয়ায়
খাঁচাটা শূন্য পড়ে আছে
কর্তৃপক্ষ বললঃ তুমি যদি খাঁচার
ভেতর একটা বাঘের পোষাক
পরে বাঘের
মত তর্জন গর্জন
দিতে পারো তাহলে মাসে
৮হাজার
টাকা পাবে
অগাত্যা বেকার ছেলেটা
তাতেই
রাজি
রোজ চিড়িয়াখানা খোলার
আগে সে বাঘের পোষাক পরে
খাঁচায়
ঢুকে পড়ে দর্শক এলে তাদেরকে
তর্জন-
গর্জন আরো নানা কায়দা-কুসরত
দেখিয়ে ভীষণ আনন্দ দেয়
দেখতে দেখতে
চিড়িয়াখানার
দর্শক বেড়ে গেল বাঘের খাঁচার
সামনে বিরাট ভিড়
চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষও
খুশি হয়ে বেতন
বাড়িয়ে দিল ভালোই চলছিল
দিন.......
হঠাৎ একদিন হলো বিপত্তি...!!!
বাঘের খাঁচার পাশেই ছিল
সিংহের
খাঁচা দুই খাঁচার মাঝে একটা
লোহার
জালের বেঁড়া
একদিন সেই
বেঁড়া ধরে লাফিয়ে নেচে-
কুদে মজা দেখাতে গিয়ে
পুরনো বেঁড়া
ভেঙ্গে সে গিয়ে পড়লো
সিংহের
খাঁচার ভেতর
এখন কী হবে? পৈতৃক প্রাণটা বুঝি
আজ
সিংহের হাতেই গেল...!
ভয়ে জবু থবু হয়ে খাঁচার এক
কোনে বসে দোয়া-দুরুদ
পড়তে লাগলো বেচারা
এদিকে সিংহটাও কিছুক্ষণ
চুপকরে বসে থেকে ধিরে ধিরে
উঠে
দাঁড়ালো
তারপর
আস্তে আস্তে এগিয়ে আসতে
লাগলো তার
দিকে ভয়ে তো তার প্রায় হার্ট
এটাক
হবার যোগার
এদিকে সিংহটা এক্কেবারে
কাছে চলে
এসেছে
প্রাণের
মায়া ছেড়ে দিয়ে ছেলেটা
যখন
কালেমা পড়তে শুরু করলো ঠিক
তখন
সিংহটা বলে উঠলো,
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
ভাই, এতো ভয় পাবেন না, আমিও
বাংলায়
অনার্স.....।।
***********************
ভালো লাগলে কিছু বলে যান...!!

জোকস ৭:
এক কাঠুরিয়া তার বউরে নিয়ে
জঙ্গলে গেল
কাঠ কাটতে
তো হটাৎ তার বউ এক পুকুরে
গেল পড়ে
তারপর অনেক কান্নাকাটিরর পর
,তার কান্না শুনে
এল এক জল কন্যা, তারপর
জলকন্নাঃ তোর কি হয়ছে???
কাঠুরিয়াঃ আমার বউ পানিতে পড়ে
গেছে
খন কারে বউ কমু হুম,,,হুম,,,হুম,,
তারপর
জলকন্যাঃ
''সানি লিওন "কে তুলে বলল,, এটা
তোর,,, বউ,,,????
কাঠুরিয়াঃসাথে সাথে এইড়া
আমার বউ
পরে কাঠুরিয়া কে একটা থাপ্পড়
মেরে জলকন্যা
বললঃহতোচ্ছারা,,,,
গল্পের নিয়ম অনুযায়ী
যখন তিন নম্বরে তোর বউ
রে তুলব তুই তখন বলবি
এইটা আমার বউ
এখন বল্লি কেন,,?
কাঠুরিয়াঃ হুম আমি এতটা বোকা
নই,,,,
জলকন্যাঃমানে
কাঠুরিয়াঃ মানে তুমি প্রথমে
সানি লিওন,,, কে তুললে
তারপর তুলবে ক্যাট্রিনা কাইফ কে
তার পর আমার বউ কে
আমি যদি সত্য কতা কই তাইলে
আমাকে তিন তাই দিয়ে দিবে
,
,
আমার একটাকেই সামলাইতেঈ পারি
না
আবার তিন টা কে,,,,!!!!!!!
জোকস ৮:
এক মুরগির বাচ্চা
মা কে
জিজ্ঞাসা করলো মা-
মানুষের জন্ম হলে
তাদের নামকরণ হয়,
কিন্তু আমাদের হয়না.
- কেন?
"
"
"
"
"
"
"
"
"
"
"
"
"
"
"
মুরগির মা বললো -
বেটা আমাদের সমাজে
নামকরণ হয় মরার
পরে
যেমন:-
চিকেন তন্দুরি
চিকেন বিরিয়ানি
চিকেন পাকোড়া
চিকেন চিলি
চিকেন টিক্কা
চিকেন রোল
চিকেন কড়াই
চিকেন ফ্রাইড
চিকেন চাপ
চিকেন স্যান্ডউইচ
চিকেন স্যুপ
চিকেন বার্গার
জোকস ৯:
সরকার সিদ্ধান্ত নিল গ্রামের
অশিক্ষিত লোকেদের
পড়াশোনা শেখানো হবে
সেইমত এক শিক্ষক
গ্রামে গিয়ে পড়াচ্ছেন -
'A' for অ্যাপেল, 'B' for বল..... কিন্তু
কেউ কিছু বুঝতে পারছেনা তখন
শিক্ষকটি ভাবনা চিন্তা করে অন্য
এক উপায়
বার করলো.....।।
তিনি পড়াতে লাগলেন -
'A' for অপুর মা,
'B' for বল্টুর মা,
'M' for মুন্নির মা,
'P' for পাপ্পুর মা,
'T' for টুনির মা.......
কয়েকদিন পর শিক্ষক ভাবলো,
এদের পরীক্ষা নেওয়া যাক
শিক্ষক বোর্ডে 'W' লিখে এক
লোককে জিজ্ঞাসা করলেনঃ বলো -
এটা কি লেখা আছে.....??
লোকটি বললঃ স্যার,
দেখে তো মনে হচ্ছে.....






মুন্নির মা উল্টে শুয়ে আছে......
জোকস ১০:
রবীন্দ্রনাথ
ঠাকুরের
বাসায় বড় বড়
কবিদের
আড্ডা হচ্ছে
বল্টু সেখানে
সবার
জন্যে চা বানিয়ে
নিয়ে
গেছে
বল্টুর বনানো চা
খেয়ে
প্রথমে
"কবিগুরু" বললেন,
.
'আমারো পরাণো
যাহা
চায়, তার
কিছু নাই, কিছুই
নাহি
এই চায়ে গো......'
.এটা শুনে
বিদ্রোহী কবি
নজরুল
লাফ দিয়ে
উঠে বললেন,
"আমি বিদ্রোহী
রণক্লান্ত, আমি
সেইদিন হব
শান্ত!
যদি ভালো করে
কেউ
চা
বানিয়ে আনতো!"
.
নজরুলের কথা
শুনে..
উদাস মুখে
জীবনানন্দ
দাস
বললেন,
'আর আসিবনা
ফিরে,রবি
ঠাকুরের
নীড়ে,
গরম চায়ে মুখ
দিয়ে
ঠোঁট গিয়েছে
পুড়ে...
'
.
খানিক পরেই
কবি সুকান্ত
বললেন,
'কবিতা তোমাকে
দিলাম
বিদায়,এক
কাপ চা যেনো
ঝলসানো ছাই! '
.
হেলাল হাফিজ
তখন
গুমরে
বললেন,
'নষ্ট পাতির সস্তা
চায়ে মুখ
হয়েছে তিতা!
কষ্ট চেপে নষ্ট
চায়ে,
মুখ
দিয়েছি কিতা?'
.
রুদ্র মুহাম্মদ
শহীদুল্লাহ নরম
কন্ঠে বললেন,
'ভালো আছি,ভালো
থেকো!
চায়েতে চিনি
বেশি
মেখো!
দিও তোমার...... ---
তাকে থামিয়ে
দিয়ে.....
__
.
কবি নির্মলেন্দু
গুণ
বললেন,
'আমি হয়তো মানুষ
না,
মানুষগুলো
অন্যরকম!
মানুষ হলে এমন
চায়ে
চুমুক দিতাম
না!'
.
পরিশেষে
রবীন্দ্রনাথ
অসহায়
চোখে বল্টুর
পানে তাকিয়ে
বললেন..
"ওরে অধম, ওরে
কাচা!
ভালো
করে চা বানিয়ে,
আমাকে তুই বাচা...
জোকস ১১:
হাসপাতালে
নার্স :
অভিনন্দন,
আপনার ঘরে
ছেলে হয়েছে
বল্টু :
আরিবাবা ! কি
টেকনোলজির যুগ,
বিবি
হাসপাতালে আর
আর ছেলে ঘরেই
হলো .
জোকস ১২:
ইংরেজ ভদ্রলোক : ( পিঠা
বিক্রেতাকে) হোয়াট ইজ দিজ ?
পিঠা বিক্রেতা : ইট ইজ চিতল
পিঠা
ইংরেজ ভদ্রলোক : হোয়াট ইজ
চিতল পিঠা ?
পিঠা বিক্রেতা :
.
.
.
.
.
.
.
.
ওয়ান সাইড ফুটা ফুটা আন্ডার সাইড mota এন্ড is কল্ড
চিতল পিঠা
মাইরালা।।
জোকস ১৩:
একদিন এক গ্রামের বাংলার মাস্টার
মশাই ঢাকা শহরে ঘুরতে
গিয়েছিলেন
স্টেশনে নেমে রিক্সাওয়ালাকে
বললেন,
যাবে ভাই?
রিক্সাওয়ালাঃ যাইবেন কই?
মাস্টারমশাইঃ বিশ্ববিদ্যালয়ে
যাবো
রিক্সাওয়ালাঃ পাঁচ টাকা লাগবে
মাস্টারমশাইঃ ঠিক আছে তাই দেব
চলো
মাস্টারমশাইকে ঘন্টা খানেক
ঘোরাবার পরও রিক্সাওয়ালা আর
বিশ্ববিদ্যালয় খুঁজে পায় না
মাস্টারমশাই অধৈর্য হয়ে উঠলেন
মাস্টারমশাইঃ তুমি ঢাকার
রিক্সাওয়ালা, বিশ্ববিদ্যালয়
চেনো না?
.
.
রিক্সাওয়ালাঃ দাঁড়ান হালায়,
জিগাইয়া লই ওই দোকানডায়
দোকানদারকে জিজ্ঞাসা করে
এসেই
রিক্সাওয়ালা রীতিমত উত্তেজিত,
.
.
.
"তাই কন
আপনি ইউনিভারসিটি যাইবেন তখন
থেকেই হালায় বিশ্ববিদ্যালয়
বিশ্ববিদ্যালয় কইতেছেন
ইউনিভারসিটি কইলে হালায় কখন
পৌঁছায় দিতাম
লেখাপড়া না শিইখ্যা ঢাকা আহেন
ক্যান...?"
জোকস ১৪:
বিয়ের ২০ তম বিবাহ বার্ষিকীতে,
রাতে স্ত্রী ঘুম
থেকে জেগে উঠে দেখেন
পাশে স্বামী নেই
তাকে পাওয়া গেল
ডাইনিং টেবিলে এক কাপ
কফি নিয়ে ক্যালেন্ডারের
দিকে স্থির
তাকিয়ে আছেন কফিতে একবার চুমুক
দিচ্ছেন আর চোখের পানি মুচ্ছেন
স্ত্রী কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করলেন,
"কী হয়েছে তোমার?"
ক্যালেন্ডার থেকে চোখ
ফিরিয়ে স্ত্রীর
দিকে তাকিয়ে, স্বামী বললেন, "আজ
থেকে ২০ বছর আগের সেই দিনের
কথা তোমার মনে আছে?"
স্ত্রী বললেন, "হ্যাঁ"
স্বামী বললেন, "সেদিন তোমার
বাবা বলেছিলেন, হয় আমার
মেয়েকে বিয়ে করবে, নয়তো ২০
বছরের জন্য জেল
খাটতে হবে মনে আছে?"
স্ত্রী বললেন, "হ্যাঁ, তাও মনে আছে"
স্বামী চোখ মুছে বললেন, "সেদিন
যদি তোমাকে বিয়ে না করে জেলে যেতাম,
তাহলে আজ মুক্তি পেতাম"
জোকস ১৫:
এক দাওয়াতের অনুষ্ঠানে এক
বাংলাদেশী এক আমেরিকান
খেতে বসেছে।
-
-
-
-
—–—
তো সেই দাওয়াতের অনুষ্ঠানে
সোনার চামচ দেয়া হয়েছিলো
সবাইকে খাওয়ার সময় ব্যবহার করার
জন্য।
-
-
-
-
—–—
হঠাৎ, আমেরিকানটা খাওয়ার
মাঝ-খানে খুব
সাবধানে নিজের প্যান্টের পকেটে
একটা সোনার চামচ লুকিয়ে ফেললো।
শুধু বাংলাদেশীটা এটা দেখলো,
কিন্তু কিছু বললো না।
-
-
-
-
—–—
খাওয়া শেষে সবাই গল্প করছে।
হঠাৎ, বাংলাদেশীটা বললো, সে
একটা ম্যাজিক দেখাবে।
ম্যাজিক দেখতে সবাই তার চার
পাশে এসে ভিড় করে দাড়ালো।
-
-
-
-
—–—
তখন বাংলাদেশীটা একটা
সোনার চামচ চাইলো একজনের কাছ
থেকে। সেই বাড়ির মালিকের
ছেলে তাকে একটা সোনার চামচ
এনে দিলো।
-
-
-
-
—–—
বাংলাদেশীটা সেই সোনার
চামচ টা তার নিজের প্যান্টের
পকেটে ঢুকালো এবং আমেরিকান
টাকে কাছে ডেকে এনে তার পকেট
থেকে সোনার চামচ বের করলো।
-
-
-
-
—–—
সবাই খুব জোরে তালি দিয়ে
ওঠলো
-
-
-
-
—–—
সে চামচটি দিয়ে দিলো
-
-
-
-
—–—
আর, পকেটে থাকা চামচ নিয়ে চলে
এলো
হা হা হা কি বুঝলেন……???
Top of Form

Bottom of Form


















পনের খানা মজার হাঁসির জোকস না পড়লে মিস!!!!!!!!!!!! Rating: 4.5 Diposkan Oleh: Unknown

0 comments:

Post a Comment